ইতালির রোমের ফিউমিসিনো (লিওনার্দো দা ভিঞ্চি) বিমানবন্দরে চারটি লাগেজে লুকিয়ে রাখা ২৮ কেজি রুপা ও মূল্যবান গয়না জব্দ করেছেন শুল্ক কর্মকর্তারা। জব্দ করা এসব সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ৩৬ হাজার ইউরোর বেশি। এ ঘটনায় এক বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করা ওই বাংলাদেশি নাগরিকের ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি দেওয়ার কথা ছিল। গোপন তথ্য ও সন্দেহের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের শুল্ক বিভাগের ‘ফিউমিসিনো গ্রুপ’-এর কর্মকর্তারা তার ওপর নজরদারি শুরু করেন। অভিযানে ইতালির অর্থনৈতিক অপরাধ দমনকারী পুলিশ বাহিনী ‘গুয়ার্দিয়া দি ফিনানজা’র রোম প্রাদেশিক কমান্ডের সদস্যরাও অংশ নেন।
প্রথমে ওই যাত্রীর বিমানে জমা দেওয়া চারটি লাগেজ এক্স-রে স্ক্যান করা হয়। স্ক্যানিংয়ে অসংগতি ধরা পড়লে লাগেজগুলো খুলে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বিভিন্ন প্লাস্টিকের মোড়কে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ রুপা ও মূল্যবান অলংকার উদ্ধার করেন কর্মকর্তারা।
গুয়ার্দিয়া দি ফিনানজার তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা রুপার বৈধ উৎস এবং সীমান্ত পারাপারের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা অনুমোদন দেখাতে পারেননি ওই যাত্রী।
এ ঘটনায় অবৈধভাবে পণ্য বহনের সন্দেহে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয় ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তবে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি।
জব্দ করা ২৮ কেজি রুপা বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় হেফাজতে রাখা হয়েছে। উদ্ধার করা সামগ্রীর মোট আনুমানিক মূল্য ৩৬ হাজার ইউরোর বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করা ওই বাংলাদেশি নাগরিকের ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি দেওয়ার কথা ছিল। গোপন তথ্য ও সন্দেহের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের শুল্ক বিভাগের ‘ফিউমিসিনো গ্রুপ’-এর কর্মকর্তারা তার ওপর নজরদারি শুরু করেন। অভিযানে ইতালির অর্থনৈতিক অপরাধ দমনকারী পুলিশ বাহিনী ‘গুয়ার্দিয়া দি ফিনানজা’র রোম প্রাদেশিক কমান্ডের সদস্যরাও অংশ নেন।
প্রথমে ওই যাত্রীর বিমানে জমা দেওয়া চারটি লাগেজ এক্স-রে স্ক্যান করা হয়। স্ক্যানিংয়ে অসংগতি ধরা পড়লে লাগেজগুলো খুলে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বিভিন্ন প্লাস্টিকের মোড়কে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ রুপা ও মূল্যবান অলংকার উদ্ধার করেন কর্মকর্তারা।
গুয়ার্দিয়া দি ফিনানজার তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা রুপার বৈধ উৎস এবং সীমান্ত পারাপারের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা অনুমোদন দেখাতে পারেননি ওই যাত্রী।
এ ঘটনায় অবৈধভাবে পণ্য বহনের সন্দেহে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয় ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তবে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি।
জব্দ করা ২৮ কেজি রুপা বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় হেফাজতে রাখা হয়েছে। উদ্ধার করা সামগ্রীর মোট আনুমানিক মূল্য ৩৬ হাজার ইউরোর বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আন্তজার্তিক ডেস্ক